ঢাকা ০২:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০২৪, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ বিজ্ঞপ্তী ::
সাপ্তাহিক যায় সময় পক্ষ থেকে লেখা আহবান

কবিতা : অভিসন্ধান

  • আপডেট সময় : ০৬:৫৮:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪
  • / ২১১ বার পড়া হয়েছে

অভিসন্ধান

লায়লা বিলকিস

যখন শৈশবের স্মৃতি মাড়িয়ে সময়ের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছি-তখন আমি এক পূর্ণ মানব!
আমার কাঁধে এখন কঠিন দায়িত্বের বোঝা !
আমি রানার মতন রোদ-বৃষ্টি,ঝড় উপেক্ষা করে
ছুটে চলি-কর্তব্য পালনে।
আমার দু’চোখের ভেতর খেলা করে আনন্দ নগর!
সেথা প্রতিদিন চাষ করি ভালোবাসার ফুল-ফসল।
প্রতিদিন দু’হাতের মুঠোয় স্বপ্ন গড়ি,স্বপ্ন ফেরি করি।
অথচ,নিজের স্বপ্ন কবে বিকিয়ে দিয়েছি তার হিসাব কোনদিন রাখিনি।
মাঝে মাঝে আমারও ভীষণ দুঃখ হয়,কষ্ট হয়!
কিন্তু ভার বহন করার সক্ষমতা কেউ রাখেনি।
আমারও সাধ হয়! প্রজাপতি হয়ে ঘাসের সাথে,
পাতার সাথে মিতালী করতে।
কিন্তু ক্লান্তি আঁকড়ে ধরে!কর্তব্য আমায় তাড়া করে ফিরে,
আমি দিগ্বিদিক হয়ে ছুটে চলি দূর থেকে বহুদূরে।
আকাশ জুড়ে পূর্ণিমার চাঁদ ঝলমল করে ওঠে,
নিশাচর প্রাণী হাওয়ার বেগে মশগুলে লোটে।
আর আমি! বটবৃক্ষের মতন জবুথবু হয়ে দাঁড়িয়ে জীবনের মানে খুঁজি।
কতদিন যে আমি ঘুমোতে পারিনি !
ব্যথায় দু’চোখের পাতা টনটন করে,
আজকাল মাংস পোড়ার গন্ধ অনুভব করি!
আমি জানি! আমার সক্ষমতা বিলুপ্তের সাথে-সাথে
আমার অক্ষমতা,দুর্বলতা প্রস্ফুটিত হয়ে উঠবে,
আর সেদিন এ সমাজ, সংসার পঁচা লাশের মতন আমাকে দূরে ছুঁড়ে ফেলবে!
ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

কবিতা : অভিসন্ধান

আপডেট সময় : ০৬:৫৮:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪

অভিসন্ধান

লায়লা বিলকিস

যখন শৈশবের স্মৃতি মাড়িয়ে সময়ের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছি-তখন আমি এক পূর্ণ মানব!
আমার কাঁধে এখন কঠিন দায়িত্বের বোঝা !
আমি রানার মতন রোদ-বৃষ্টি,ঝড় উপেক্ষা করে
ছুটে চলি-কর্তব্য পালনে।
আমার দু’চোখের ভেতর খেলা করে আনন্দ নগর!
সেথা প্রতিদিন চাষ করি ভালোবাসার ফুল-ফসল।
প্রতিদিন দু’হাতের মুঠোয় স্বপ্ন গড়ি,স্বপ্ন ফেরি করি।
অথচ,নিজের স্বপ্ন কবে বিকিয়ে দিয়েছি তার হিসাব কোনদিন রাখিনি।
মাঝে মাঝে আমারও ভীষণ দুঃখ হয়,কষ্ট হয়!
কিন্তু ভার বহন করার সক্ষমতা কেউ রাখেনি।
আমারও সাধ হয়! প্রজাপতি হয়ে ঘাসের সাথে,
পাতার সাথে মিতালী করতে।
কিন্তু ক্লান্তি আঁকড়ে ধরে!কর্তব্য আমায় তাড়া করে ফিরে,
আমি দিগ্বিদিক হয়ে ছুটে চলি দূর থেকে বহুদূরে।
আকাশ জুড়ে পূর্ণিমার চাঁদ ঝলমল করে ওঠে,
নিশাচর প্রাণী হাওয়ার বেগে মশগুলে লোটে।
আর আমি! বটবৃক্ষের মতন জবুথবু হয়ে দাঁড়িয়ে জীবনের মানে খুঁজি।
কতদিন যে আমি ঘুমোতে পারিনি !
ব্যথায় দু’চোখের পাতা টনটন করে,
আজকাল মাংস পোড়ার গন্ধ অনুভব করি!
আমি জানি! আমার সক্ষমতা বিলুপ্তের সাথে-সাথে
আমার অক্ষমতা,দুর্বলতা প্রস্ফুটিত হয়ে উঠবে,
আর সেদিন এ সমাজ, সংসার পঁচা লাশের মতন আমাকে দূরে ছুঁড়ে ফেলবে!