দেশব্যাপী সাড়ে ৪ লাখ বৃক্ষরোপন করেছেন যুবলীগ


jaisomoy প্রকাশের সময় : সেপ্টেম্বর ৫, ২০২২, ৭:২৯ পূর্বাহ্ন /
দেশব্যাপী সাড়ে ৪ লাখ বৃক্ষরোপন করেছেন যুবলীগ

বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা ১৯৮৫ সালের আষাঢ় থেকে সমগ্র বাংলাদেশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি গ্রহণ এবং তা বাস্তবায়ন করে আসছেন। তখনও বিশ্বে জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়টি আসেনি। কিন্তু বঙ্গবন্ধুকন্যা রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা দেশের কথা চিন্তা করে, দেশের মানুষের কথা চিন্তা করে, পরিবেশের কথা চিন্তা করে পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।

 

প্রধানমন্ত্রী দেশের সবাইকে নির্দেশনা দেন যে-আপনারা অন্তত তিনটা করে গাছ লাগাবেন। একটি করে ফলের গাছ, এক‌টি করে কাঠের গাছ এবং একটি করে ভেষজ গাছ।

জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে দেশকে রক্ষা করতে হলে সবুজ বাংলাকে আরও সবুজ করতে হবে। তারই ধারাবাহিকতায় রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার নির্দেশে গত ২০ জুন রাজধানীর হাতিরঝিলের প্লাটিনাম পার্কে দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন আওয়ামী যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশ।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশ ও সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো. মাইনুল হোসেন খান নিখিল যুবলীগের সর্বস্তরের নেতা-কর্মী, শুভানুধ্যায়ী সকলকে আষাঢ়-শ্রাবণ-ভাদ্র এই তিন মাসব্যাপী কমপক্ষে একটি ফলদ, একটি বনজ ও একটি ভেষজ গাছ লাগানোর আহ্বান জানান।

যুবলীগ চেয়ারম্যান ও সাধারণ সম্পাদকের ঘোষণা অনুযায়ী জুন মাসের ২০ তারিখ থেকে জুলাই মাসের ১৬ তারিখ পর্যন্ত যুবলীগের নেতা-কর্মীরা দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রায় ১ লক্ষ ৭০ হাজার ৩২ টি বৃক্ষরোপণ করেছেন। দ্বিতীয় ধাপে জুলাই মাসের ১৬ তারিখ থেকে আগস্ট মাসের ২৫ তারিখ পর্যন্ত মোট ৪ লাখ ৬৬ হাজার ৯০৬টি বৃক্ষরোপণ করা হয়েছে।

যুবলীগের কোন ইউনিট কী পরিমাণ বৃক্ষরোপণ করছে কেন্দ্রীয় যুবলীগের দফতর শাখা থেকে নিয়মিত মনিটরিং করে তার তালিকা সংগ্রহ করা হচ্ছে। প্রতি ১৫ দিন অন্তর অন্তর তার পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করা হবে।

ইতোমধ্যে দ্বিতীয় ধাপে ঢাকা মহানগর যুবলীগ উত্তর ১২ হাজার, ঢাকা মহানগর যুবলীগ দক্ষিণ ১১ হাজার, রাজশাহী জেলা ৪ হাজার ৫০০, বগুড়া জেলা ৬ হাজার, সিরাজগঞ্জ জেলা ২ হাজার ৫০০, পঞ্চগড় জেলা ৭ হাজার, পাবনা জেলা ২১ হাজার, নওগাঁ জেলা ১২ হাজার, জয়পুরহাট জেলা ১০হাজার ৭৬০, সাতক্ষীরা জেলা ৬ হাজার ৫০০, বাগেরহাট ৫ হাজার, চুয়াডাঙ্গা জেলা ২৪ হাজার, নড়াইল জেলা ১১ হাজার, মাগুরা জেলা ১৭ হাজার, যশোর জেলা ৫ হাজার ৫০০, কুষ্টিয়া ২৬ হাজার ৯০০টি, মেহেরপুর ৮ হাজার, লালমনিরহাট জেলা ৫ হাজার, কুড়িগ্রাম জেলা ৫ হাজার ৩৫০, গাইবান্ধা জেলা ৬ হাজার ৫৭০টি, নীলফামারী জেলা ৫ হাজার, দিনাজপুর জেলা ৯ হাজার ৫০০টি, ঠাকুরগাঁও জেলা ১০ হাজার, রংপুর জেলা ১২ হাজার, গাজীপুর জেলা ৭ হাজার ৫৫০টি, গাজীপুর মহানগর ১৫ হাজার, মানিকগঞ্জ জেলা ৪ হাজার ৬০০, জামালপুর জেলা ৫ হাজার ৬০০, কিশোরগঞ্জ জেলা ২ হাজার ৫২০, টাঙ্গাইল জেলা ১০ হাজার, নেত্রকোণা জেলা ৮ হাজার ১৫০টি, শেরপুর জেলা ৩ হাজার ৭০০টি, গোপালগঞ্জ জেলা ৫০০, রাজবাড়ী জেলা ১০ হাজার ৪৬৬, ফরিদপুর জেলা ৫ হাজার, মুন্সিগঞ্জ জেলা ১ হাজার, শরীয়তপুর জেলা ৩ হাজার, খাগড়াছড়ি জেলা ১২ হাজার, রাঙ্গামাটি জেলা ৬ হাজার ৫০০, বান্দরবান জেলা ৭ হাজার ৯০০টি, কক্সবাজার জেলা ৯ হাজার, নোয়াখালী জেলা ৪০ হাজার, লক্ষ্মীপুর জেলা ১১ হাজার, কুমিল্লা উত্তর জেলা ৫ হাজার ২২০, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ১ হাজার ৫৭০টি, কুমিল্লা মহানগর ৩০০, চাঁদপুর জেলা ৬ হাজার ৭৫০, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ২৩ হাজার ৮০০, ফেনী জেলা ৪ হাজার ৪০০, বরগুনা জেলা ৮০০, পটুয়াখালী জেলা ১০ হাজার ও পিরোজপুর ৬ হাজার ৫০০টি বৃক্ষরোপণ করা হয়েছে। নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।